বুধবার , 20 জুন 2018
ব্রেকিং

সবচেয়ে কম খরচে কম সময়ে কানাডার নাগরিকত্ব

কানাডার নাগরিকত্ব পেতে এখন আর সমুদ্র পাড়ি দেওয়া বা অবৈধভাবে বসবাস করে সরকারের অনুকম্পার জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নেই মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের চেষ্টার।

শিক্ষা, কাজের অভিজ্ঞতা, ইংরেজিতে কথা বলার ও লেখার সামর্থ থাকলেই সঠিক নিয়মে আবেদনের মাধ্যমে যে কেউ পরিবারসহ কানাডার নাগরিকত্ব পেতে পারেন। অথবা যদি আপনার কানাডায় ব্যবসা করার মতো আর্থিক সামর্থ থাকে তবে যোগ্যতা কম থাকলেও কানাডা সরকার অপেক্ষা করছে আপনাকে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য। সঠিক নিয়ম অনুসরণ করলে এক বছরের মধ্যেই আপনি স্থায়ী হতে পারেন স্বপ্নের এই দেশটিতে।

পুরো ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে আপনি একজন ইমিগ্রেশন আইনজীবীর সার্বক্ষণিক পেশাদার সহায়তা নিতে পারেন। এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহ্উদ্দিন আহমেদ রাজুকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, যেহেতু বিষয়টি একটি আইনী জটিল বিষয় এবং সবসময় তদারকির মধ্যে থাকতে হয়, সুতরাং একজন দক্ষ আইনজীবীর পেশাগত সহায়তা গ্রহণ করা যেতেই পারে তবে বিষয়টি বাধ্যতামূলক নয়।

সঠিক নিয়মে আবেদন করলে ১ বছরের মধ্যেই পরিবারসহ কানাডার নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব।

আকর্ষণীয় সেল্ফ ইমপ্লয়েড পার্সনস্ প্রোগ্রাম :
কানাডাকে বলা হয় ইমিগ্র্যান্টদের স্বর্গ । সারা পৃথিবী থেকে হাজার হাজার বিভিন্ন পেশার ও ভাষার লোকজন কানাডার সমাজ ও সংস্কৃতিকে করেছে সমৃদ্ধ।বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও খেলোয়াড়দের ও সুযোগ রয়েছে আবেদন করে কানাডার নাগরিকত্ব গ্রহণ করার।
পেশাসমুহ: বিভিন্ন খেলার খেলোয়াড়, কোচ, ট্রেনার, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের লোকজন যেমন : মডেল, গানের, নাচের, অভিনয়ের, মুকাভিনয় শিল্পী, কৌতুক অভিনেতা, মেকাপম্যান, প্রযোজক, পরিচালক, কোরিওগ্রাফার, ফটোগ্রাফার, ভিডিও ও ভিজ্যুয়াল ক্যামেরা পারসন, ভিডিও এডিটিং, ফ্যাশন ডিজাইনার, আ্যানিমেশন ও মাল্টিমিডিয়ার স্পেশালিষ্ট পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত লেখক, কলামিষ্ট, সম্পাদক, সাংবাদিক, কার্টুন নির্মাতা, ছড়াকার, ব্রড কাস্ট টেকনিশিয়ান,গ্রাফিক্স ডিজাইনার, চারুশিল্পী, ইনটেরিয়র ডিজাইনার ইত্যাদি পেশার লোকজন পরিবার সহ কানাডার নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারেন।

যোগ্যতাসমূহ :
• সংশ্লিষ্ট পেশায় অন্তত দুই বছরের আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা।
• অথবা দুই বছরের সেল্ফ ইমপ্লয়মেন্ট হিসাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা।
• অথবা দুই বছরের ফার্ম ম্যানেজমেন্ট অভিজ্ঞতা।
• এক লাখ কানাডিয়ান ডলার ইনভেস্টমেন্ট করার ক্ষমতাও থাকতে হবে।

প্রয়োজনীয় পয়েন্ট : ১০০ এর মধ্যে ন্যূনতম ৩৫ পয়েন্ট হলেই চলবে।

কিউবেক ইনভেস্টর প্রোগ্রাম:
গত ২৯ মে-২০১৭ কিউবেক ইনভেস্টর প্রোগ্রাম আবার চালু হয়েছে। সবচেয়ে দ্রুত ও কম সময়ে পরিবারসহ স্থায়ী নাগরিক হওয়ার সুযোগ রয়েছে এই প্রোগ্রামের আওতায়। আট লাখ কানাডিয়ান ডলার বিনিয়োগ করে এই প্রোগ্রামে আবেদন করা যায়। বিনিয়োগটি শতভাগ নিরাপদ।

এই প্রোগ্রামে আবেদন করার সুবিধাগুলো হলো :
• আট লাখ কানাডিয় ডলার পাঁচ বছরের জন্য বিনিয়োগ করার সামর্থ্য এবং পাঁচ বছর পর বিনা সুদে মূলধন ফেরত পাওয়া যায়।
• পরিবারসহ স্থায়ীভাবে বসবাস।
• শিক্ষাগত যোগ্যতা বা আইইএলটিএসের কোনো শর্ত নেই।
• এক দশমিক ৬ মিলিয়ন কানাডীয় ডলারের সম্পদ থাকলেই এই প্রোগ্রামের আওতায় কানাডায় স্থায়ী হওয়া যায়।
• দরখাস্ত মঞ্জুর হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বিনিয়োগ করতে হয়।

এন্টারপ্রেনার প্রোগ্রাম ইন কানাডা :

* তিন লাখ কানাডিয়ান ডলার বিনিয়োগ করতে হবে।
* কৃষি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল বা কমার্শিয়াল কাজে জড়িত ব্যবসায়ীরা আবেদন করতে পারবেন।
* তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেই চলবে।
* দুই ভাবে অর্থাৎ ফেডারেল এবং প্রভিন্সশনাল সরকারের এন্টারপ্রেনার প্রোগ্রাম চলমান আছে।

ব্যবসায়ীদের জন্য মেনিটোভা প্রভিন্সশনাল নমিনি প্রোগ্রাম :
বলা হয় ব্যবসায়ীদের জন্য মেনিটোভার দরজা ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকে।এই প্রোগ্রামের মুল বিষয়গুলো হচ্ছে :-
* বয়স ৩০ হতে ৪৪ হলে সবচেয়ে ভালো হয়।
* ৩,৫০,০০০/- কানাডিয়ান ডলারের সম্পদ থাকতে হবে।
* ১,৩০,০০০/- কানাডিয়ান ডলার বিনিয়োগ করার সামর্থ থাকতে হবে।
* তিন বছরের ব্যবসায় মালিকানার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে বা ০৫ বছরের সিনিয়র পোস্টে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও চলবে।
* ব্যবসায়ীক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
* ব্যবসায়ীক জ্ঞান থাকলে ভালো হয়।
* মেনিটোভা ভ্রমণের ক্ষেত্রে পয়েন্ট যোগ করা যায়।
* স্বামী ও স্ত্রীর আইইএলটিএস এ ন্যূনতম স্কোর থাকলে অধিক পয়েন্ট যোগ করা যায়।

ব্রিটিশ কলম্বিয়া এন্টারপ্রেনার ইমিগ্রেশন স্কিম :
এই প্রভিন্সে নতুন করে ব্যবসা স্থাপন বা ক্রয় বা অংশীদার ভিক্তিতে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারবে এবং স্কিমের আওতায় নাগরিকত্ব লাভও করতে পারবে।
* মিনিমাম বিনিয়োগ করতে হবে ২,০০,০০০/- কানাডিয়ান ডলার।
* সম্পদ বা ক্যাশ থাকতে হবে ৬,০০,০০০/- কানাডিয়ান ডলার।
* তিন বছরের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
* উচ্চপদে দুই বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন ব্যক্তিরাও আবেদন করতে পারবেন।

সাসকাচুয়ান এন্টারপ্রেনার বিজনেস ইমিগ্রেশন স্কিম :
আগামী ১৯ জুলাই ২০১৭, ১৮ অক্টোবর ২০১৭ এবং ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ তে পরবর্তী ড্র এর সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সুতরাং নিশ্চিত এই প্রোগ্রামে আপনি চাইলে এখনই আবেদন করতে পারেন।
* ৫,০০,০০০/- কানাডিয়ান ডলার এর সম্পদ থাকতে হবে।
* নুন্যতম ২,০০,০০০/- কানাডিয়ান ডলার বিনিয়োগ করার সামর্থ থাকতে হবে।
কানাডা ইমিগ্রেশনের অন্যান্য প্রোগ্রামগুলো হচ্ছে :

নতুন নিয়মে পিএনপি, এক্সপ্রেস এন্ট্রি, এফএসডব্লিউপি, এফএসটিপি, কিউএসডব্লিউপি, এআইপিএন, এসআইপিএন, এমপিএনপি, এনএসএনপি, বিসিপিএনপি, ও আইএনপি, আটলান্টিক ইমিগ্রেশন পাইলট প্রোগ্রাম, কেয়ারগিভার, বিজনেস, ফ্যামিলি স্পন্সরশিপ, এমপ্লয়মেন্টসহ নতুন নতুন বিভিন্ন প্রোগ্রামে সহজ নিয়মে পেশাজীবীদের ইমিগ্রেশন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
১. এক্সপ্রেস এন্ট্রি :

সব ধরনের ইঞ্জিনিয়ার, আইটি প্রফেশনাল, অ্যাকাউন্টেন্ট, অডিটর, ব্যাংকার, আর্কিটেক্ট, ডাক্তার, ডেন্টিস্ট, নার্স, ফিজিওথেরাপিস্ট, রেডিওলোজিস্ট, সনোগ্রাফার,ফার্মাসিস্ট ইত্যাদি পেশার লোকজন তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীর বয়স অবশ্যই ৫৩ বছরের নিচে থাকতে হবে। অন্তত গ্র্যাজুয়েশন বা সমমানের ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে। দুই বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো হয়। প্রার্থীকে অবশ্যই আইইএলটিএস (জেনারেল) এর প্রতিটি ব্র্যান্ডে ৬.৫ এবং এভারেজে ৭.০+ স্কোর করতে পারেন।
২. প্রভিন্সসিয়াল নমিনি প্রোগ্রাম (পিএনপি) :
কানাডার ১১টি প্রদেশে ইমিগ্রেশনের জন্য আবেদনকারীদের মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। এই সময়ে খোলা আছে :-
ক) ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রভিন্সিয়াল প্রোগ্রাম :
আইইএলটিএসে ৫ দশমিক ৫ স্কোরসহ দুই বছর কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই কানাডার অন্যতম সুন্দর প্রদেশ ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় আবেদন করতে পারবেন। ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রভিন্সিয়াল প্রোগ্রামটি চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। এক্সপ্রেস এন্ট্রি বিসি—স্কিলড ওয়ার্কার ও ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট এবং স্কিলস ইমিগ্রেশন : স্কিলড ওয়ার্কার ও এন্ট্রি লেভেল সেমি-স্কিলড। সর্বশেষ ড্রতে ৩৭৭ জন মনোনয়ন পেয়েছে শুধু ব্রিটিশ কলাম্বিয়া থেকে। গত ৪ জুন এই প্রদেশ থেকে ৩৪৬ জন আমন্ত্রণ পেয়েছে।
খ) সাসকাচুয়ান ইমিগ্র্যান্ট নমিনি প্রোগ্রাম :

কানাডার অন্যতম সেরা এবং উন্নত প্রদেশ সাসকাচুয়ানে কিছু বিশেষ পেশাজীবীরা খুব সহজ আবেদন করতে পারেন। সেইসঙ্গে দ্রুততম সময়ে সপরিবারে ইমিগ্রেশন ভিসাও পেতে পারেন। পেশাগুলোর মধ্যে রয়েছে : কম্পিউটার বা ইনফরমেশন সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার বা অ্যানালিস্ট, এনজিওকর্মী, অ্যাগ্রিকালচার ম্যানেজার ইত্যাদি।
গ) অন্টারিও ইমিগ্র্যান্ট নমিনি প্রোগ্রাম :
কানাডায় যারা পড়াশোনা করেছেন, কানাডায় চাকরি করার যোগ্যতা রয়েছে, কানাডায় চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন বা ব্যবসা করতে ইচ্ছুক তাঁরাই এই নির্দিষ্ট প্রদেশে আবেদন করে স্থায়ী হতে পারেন।
প্রোফাইল তৈরি করার পর ১৪ দিন সময় থাকে যেকোনো ক্যাটাগরিতে আবেদন করার।
ঘ) নোভা স্কোশিয়া নমিনি প্রোগ্রাম (এনএসএনপি) :
২০১৫ সালের পর এই প্রোগ্রাম ইতিমধ্যে চালু আছে। ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টস, অ্যাডমিন অফিসার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটারে দক্ষ, নার্স ও এনজিও কর্মীরা প্রোগ্রামটিতে আবেদন করতে পারবেন।

আটলান্টিক ইমিগ্রেশন পাইলট প্রোগ্রাম :
চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে তিনটি ক্যাটাগরিতে আটলান্টিক ইমিগ্রেশন পাইলট প্রোগ্রাম চালু হয়েছে। এর আওতায় দীর্ঘদিন কানাডায় কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়। যেহেতু প্রোগ্রামটিতে চাকরির অফার থাকে, তাই অনেকের পছন্দনীয় প্রোগ্রাম এটি। ২০১৭ সালে দুই হাজার পরিবার এ সুযোগ পাবে বলে আটলান্টিক সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ঙ) কিউবেক ইমিগ্রেশন :
কিউবেক কানাডার একটি প্রদেশ হলেও এর ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া আলাদা ও স্বতন্ত্র। বছরের যেকোনো সময় নির্দিষ্ট কোটা উল্লেখ করে প্রোগ্রাম ঘোষণা করা হয়। সাধারণত এই প্রদেশের শর্ত বা যোগ্যতাগুলো অনেক সহজ ও শিথিল থাকে। কিউবেকের প্রোগ্রামগুলো মূলত তিনটি ক্যাটাগরিতে হয়ে থাকে। সেগুলো হলো—দ্য কিউবেক স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রাম, এন্টারপ্রেনিয়ার প্রোগ্রাম ও কিউবেক এক্সপেরিয়েন্স ক্লাস। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব শর্ত রয়েছে। আগামী ১২ মাসের মধ্যে আরো পাঁচ হাজার অভিবাসী নেবে এই প্রদেশ।

কেয়ারগিভারস প্রোগ্রাম :
এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে পরিবারসহ কানাডায় স্থায়ী হওয়া যায়। শুধু সনদপ্রাপ্ত নার্সরা আবেদন করতে পারবেন। অন্য প্রচলিত প্রোগ্রামের মতো ৬৭ পয়েন্ট বা এক হাজার ২০০ সিআরএস পয়েন্টের প্রয়োজন নেই। নার্সিংয়ে ডিপ্লোমা বা বিএসসি পাস ও আইইএলটিএসে ন্যূনতম স্কোর পাঁচ থাকলেই আবেদন করে চাকরিসহ কানাডায় যাওয়ার সুযোগ থাকছে লাইভ ইন কেয়ারগিভার (এলপিসি) প্রোগ্রামের আওতায়।

কানাডায় স্কিল,সেল্ফ ইমপ্লয়েড, ইনভেষ্টর ও এন্টারপ্রেনার প্রোগ্রাম নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে লেখক, কলামিস্ট, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহ্উদ্দিন আহমেদ রাজুর। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যোগ্যতা নিরুপণ করা আর দক্ষতার সঙ্গে পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে পারলেই যে কেউ আবেদন করতে পারবেন। যাদের স্বপ্ন রয়েছে বিশ্বায়নের যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যবসা করার শুধু তাঁদেরই উচিত আবেদন করা।” (ntvbd)

print

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.