শনিবার , 20 অক্টোবর 2018
ব্রেকিং

সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আহমেদ এর পর্তুগাল সফর

সেলিম উদ্দিন: বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির আশির দশকের কিংবদন্তি ছাত্রনেতা ডাকসুর সাবেক ভিপি ও দল মত নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রিয়ভাজন সুলতান মোহাম্মদ মনসুর পর্তুগাল সফর করেছেন আশির দশকের সিলেট বিয়ানীবাজার ছাত্রলীগের তুখোড় ছাত্রনেতা মোহাম্মদ শফিউল আলম এর আমন্ত্রণে।

তাকে সংবর্ধনার পর পর্তুগাল প্রবাসীদের একাংশের উপস্থিতিতে আয়োজিত হয় এক উন্মুক্ত আলোচনা। উন্মুক্ত আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও পর্তুগাল আওমীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরহাদ মিয়া।

অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সিলেট ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র নেতা দেলোয়ার হোসাইন। সুলতান মনসুর সিলেট এম সি কলেজের ছাত্র। পচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলে সেদিন এই হত্যার বদলা নিতে যারা হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি সুলতান মনসুর।

কাদের সিদ্দিকীর প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শফিউল আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “একাত্তর এবং পঁচাত্তরের ঘাত- প্রতিঘাত, চড়াই উৎরাই পেরিয়ে জননেতা সুলতান মনসুর যখন আশির দশকে ছাত্রলীগের কান্ডারী(সভাপতি)হন, তখন ছাত্রলীগের কেমন দশা ছিল? রুগ্ন, দুর্বল হতাশা গ্রস্ত নয় কি? বলাবাহুল্য ছাত্রলীগ ছিল দুর্বল, অসংগঠিত। তখনকার ছাত্রলীগের ডাকসুর ক্যানভাসে একটা মিছিল করার শক্তি সামর্থ ছিল না। এই যখন ছিল ছাত্রলীগের অবস্থা। ঠিক তখনি জননেতা সুলতান মনসুর ছাত্রলীগের দায়িত্ব গ্রহণ করে ছাত্রলীগ কে সু-সংগঠিত করেন, হন ডাকসুর ভিপি। এবং ছাত্রলীগের সু-সংগঠিত শক্তিমত্তা ছড়িয়ে দেন সারা বাংলাদেশে।”

বক্তারা আরো বলেন, “ষড়যন্ত্র করে একজন সুলতান মনসুরকে ধংস করা হয়তো সহজ, কিন্তু সৃষ্টি করা কঠিন। ষড়যন্ত্র করে একজন সুলতান মনসুরকে আওয়ামীলীগ জনসভা থেকে দুরে রাখা যায়, কিন্তু জনবিচ্ছিন্ন করা কঠিন। ষড়যন্ত্র করে একজন সুলতান মনসুরের অগ্রযাত্রার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ট করা যায়, কিন্তু চির দিনের জন্য রুদ্ধ করা কঠিন।”

print

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.