বৃহস্পতিবার , 16 আগস্ট 2018
ব্রেকিং

জহুরবারু কন্স্যুলার সেবা পরিদর্শনে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া:

মালয়েশিয়ার সীমান্ত প্রদেশ জহুরবারু অগ্রণী রেমিট্যান্সে চলছে দূতাবাসের কনস্যুলার সেবা। আর এ সেবা পরিদর্শন করলেন এমআরপি/এমআরভির প্রজেক্ট পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান। তার সঙ্গে রয়েছেন দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর মো: সায়েদুল ইসলাম। প্রতিমাসের ৩য় সপ্তাহের শনি ও রোববার দীর্ঘদিন থেকে এ সেবা দিয়ে আসছে। চলতি মাসের ৩ য় সপ্তাহে বিজয় দিবসের বন্ধ থাকায় ৯ ডিসেম্বর শনিবার এবং ১০ ডিসেম্বর রবিবার ঘোষনা দিয়ে চলছে কন্স্যুলার সেবা। স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার সেবা চলবে রোববার পর্যন্ত। মালয়েশিয়ার সীমান্ত প্রদেশ জহুরবারুতে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা দিতে কাজ করে চলেছেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা।

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, দেশটির অভিবাসন বিভাগের চলমান রি-হিয়ারিং প্রোগ্রামের আওতায় বৈধ হতে নতুন পাসপোর্ট করতে দূতাবাসসহ দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে থাকা দূতাবাসের কনস্যুলার সেবাকেন্দ্রে শেষ সময়ে ভিড় করছেন প্রবাসীকর্মীরা। আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে দেশটিতে থাকা অবৈধদের বৈধ হওয়ার সুযোগ।

এ বিষয়ে র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এমআরপি/এমআরভির প্রজেক্ট পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, সিরিয়াল অনুযায়ী ডিজিটাল পাসপোর্ট তৈরি এবং নবায়ন থেকে শুরু করে সবই হচ্ছে নিয়ম মোতাবেক। হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় জহুর প্রদেশে কর্মরত প্রবাসীরা দ্রুত সেবা পাচ্ছেন। আর এ সেবা অব্যাহত থাকবে। সেবা প্রত্যাশিরা কোন ভাবেই যেন দালালদের স্মরনাপন্ন না হন সে ব্যাপারেও শতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

অগ্রণী রেমিট্যান্সে নতুন পাসপোর্ট করতে আসা প্রবাসীকর্মী লালমনিরহাটের মো: ছলিম উদ্দিন বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। দালাল ছাড়াই রিসিট হাতে পেলাম। যেখানে পাসপোর্ট করতে ৩ থেকে সাড়ে ৩শ রিঙ্গিত খরচ হতো সেখানে ১১৬ রিঙ্গিত ব্যাংকড্রাফ্ট করে পাসপোর্ট করতে পারছি।

কনস্যুলার সেবা থেকে নতুন পাসপোর্ট নিতে আসা মুন্সীগন্জের মাসুম বেপারি বলেন, এক মাস আগে এখানে ১১৬ রিঙ্গিত দিয়ে পাসপোর্টের আবেদন করেছিলাম। দালাল ছাড়াই দূতাবাসের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতায় নতুন পাসপোর্ট হাতে পেলাম। কনস্যুলার সেবা অব্যাহত থাকলে দালালদের কাছে যেতে হবে না।

প্রবাসীদের আবেদন জমা দেয়া এবং ডিজিটাল পাসপোর্ট বিতরণে রয়েছেন দূতাবাসের পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রথম সচিব মো: মশিউর রহমান তালুকদার। তার সঙ্গে রয়েছেন, পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার অফিস সহকারি সুশান্ত সরকার, আরিফুল ইসলাম।

এ ছাড়া রয়েছেন দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন ভূইয়া ও গোলাম কিবরিয়া।

print

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.