মঙ্গলবার , 17 জুলাই 2018
ব্রেকিং

এম,এ,গনির জন্য ইউরোপ আওয়ামী লীগ উজ্জীবিত ও সক্রিয়

বিশেষ প্রতিবেদক

সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক , পরিশ্রমী সংগঠক , বঙ্গবনধুর হাতে গড়া কর্মী এম. এ. গনি এর জন্য ইউরোপ আওয়ামী লীগ সক্রিয়। তিনি ইউরোপ আওয়ামী লীগ কে সংগঠিত করার কারণে বিএনপি জামাত চক্র , আওয়ামী বিরোধী গোষ্ঠীর প্রধান শত্রূ। তার সাথে যুক্ত হয়েছে নব্য আওয়ামী লীগ , হাইব্রিড , আগাছা ও পরগাছা সমৃদ্ধ পদলোভী আওয়ামী লীগ , যাদের কাছে দলীয় পদই মুখ্য। বঙ্গবনধুর আদর্শ , জননেত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্ব কোন কিছু ধারণ করে না। তারাই সোশ্যাল মিডিয়ায় পদ না পাওয়ার প্রাপ্তি থেকে এম.এ.গনিকে নিয়ে আষাঢ়ে গল্প লিখে , যা শুধু হাসির খোরাক জোগাতে যথেষ্ট। কারণ বিএনপি জামাত চক্র চায় না আওয়ামী লীগ প্রবাসে একটি শক্তিশালী হউক।

২০০১ সালে ইউরোপ আওয়ামী লীগ সংগঠিত হওয়ার পর জনাব এম, এ, গনি আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক প্রধান সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ইউরোপের দেশে দেশে সেই সময়ে বিএনপি জামাত সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। সেই সময়ে সংবাদ মাধ্যম সমূহ দেখলে সহজেই প্রমান পাওয়া যায়। সেই দুঃসময়ে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ এর সভাপতি শ্রী অনিল দাশ গুপ্ত বিএনপি জামাত এর রোষানল থেকে বাঁচতে ভীত হয়ে অসুস্থার অজুহাতে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নেন। এম, এ, গনি ১/১১ এর সময় ইউরোপের সব দেশে আওয়ামী নেতা কর্মীদের নিয়ে সেনা সমর্থিত কেয়ারটেকার সরকার কতৃক দলীয়প্রধান শেখ হাসিনার গ্রেফতারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। বেলজিয়াম ইউরোপীয় ইউনিয়ন কক্ষে শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য যুক্তিপূর্ন বক্তৃতা করেন। যা সেই সময় নিউজ মিডিয়াতে প্রচার হয়েছিল অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত এর কারণে প্রবাসে আওয়ামী লীগ পুরাতন নেতা কর্মী সবাইকে ভালো করে চিনেন ও জানেন। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর দেশের মত প্রবাসে ও নব্য আওয়ামী লীগ যারা কিনা দেশে একসময় বিএন পি জামাত করতো তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আঞ্চলিক রাজনীতির প্রভাব বলয়ের জন্য। । প্রবাসে অঞ্চল ভিত্তিক বিভিন্ন সমিতির কারণে নিজেদের প্রভাব রাজনৈতিক সংগঠনে অধিষ্ঠিত করার জন্য রাজনৈতিক ব্যকগ্রাউন্ড বিবেচনা না করে আওযামী লিগে অন্তর্ভুক্তি করে। তারাই বছর খানিক এর মধ্যেই প্রবাসে বিভিন্ন দেশের আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। এরাই হচ্ছে ক্ষমতার সুবিধাবাদী। সংগঠন বিপদে পড়লে আওয়ামী লীগ এর আশে পাশে ও দেখা যাবে না। এম. এ গনি এই সব সুবিধাবাদীদের সংগঠনে সুউচ্চ পদ সমূহে অন্তর্ভুক্ত না করার কারণে তাদের কাছে অপ্রিয় হয়েছেন। অন্যদিকে সভাপতি শ্রী অনিল দাশ গুপ্ত ২০০৯ এর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আবার দৃশ্যপটে আসেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে বিভিন্নদেশে যাতায়াত শুরু করলে শ্রী অনিল দাশ গুপ্ত দেখা করার জন্য যাওয়া শুরু করেন। ২০০১ -২০০৬ দীর্ঘ সময় ইউরোপ এর কোন দেশে নেতা কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখেন নি। কারণ শ্রী অনিল দাশ গুপ্তকে টেলিফোন করে এখনো ঠিকসময়ে পাওয়া যায় না। এছাড়া সেইসময় ও ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর ও অস্ট্রিয়া , সুইজারল্যাণ্ড , বেলজিয়াম , ডেনমার্ক , সুইডেন , পর্তুগাল, স্পেন , গ্রীস , ইতালি , ফ্রান্স সবদেশের সম্মেলনে এম এ গনি নিজে উপস্থিত থেকে নেতা কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ এর কমিটি করেন। সভাপতি শ্রী অনিল দাশ গুপ্ত কোন দেশে যান নি। অনেক প্ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রাথীদের মাঝে কেবল মাত্র একজন নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যরা হয়েছেন এম, এ , গনির শত্রূ। অপরদিকে টেলিফোনে শ্রী অনিল বাবু কে কোন দেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে বললে তিনি বলেন , এম, এ গনি বিচ্চক্ষন লোক , তিনি আছেন কোন চিন্তা নেই , সঠিক সিদ্ধান্ত দিবেন এবং সবাইকে নিয়ে কর। খারাপ সময়ে কখনো অনিল দাশ গুপ্তকে পাওয়া যায় না। অন্যদিকে যারা এম এ গনির রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কাছে ধরাশায়ী হয়ে যান তারা পিছনে মিথ্যা বানোয়াট কথা বলে এম. এ গনিকে হেয় করতে অস্তির হয়ে যায়। ২০১৬ সালে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ এর সম্মেলনে উপস্থিত থাকবে বলে অনিল দাশ গুপ্ত আসেন নি, যথারীতি এম , এ , গনি উপস্থিত ছিলেন। গ্রীস আওয়ামী লীগ এর সম্মেলন হয় দীর্ঘ ১২ বছর পর , সেখানে শ্রী অনিল দাশ গুপ্ত যথারীতি অনুপস্থিত থাকেন। নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগ এর সম্মেলনে এম, এ, গনি উপস্থিত থাকেন। ফিনল্যান্ড ও নরওয়ে আওয়ামী কর্মীরা বলেন আজকে দীর্ঘ ১১ বছর পর ইউরোপ আওয়ামী লীগ এর কোন সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা এসেছেন। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে কর্মীদের মাঝে কাউন্সিল এর মাধ্যমে নিয়মিত সম্মেলন এর ব্যবস্থা করতে হবে। শুধু মাত্র প্রধানমন্ত্রী যখন আসনে তখন হাজির হলে রাজনীতি হয় না। ইউরোপ আওয়ামী লীগ এর এম এ,গনি প্রতি দেশের নেতা কর্মীদের টেলিফোনে পরামর্শ ও উৎসাহ দেন। প্রায় সবদেশে হাজির হয়ে নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত রাখেন। কিনতু হাই ব্রিড , আগাছা , পরগাছা , এজেন্ট , সুবিধাবাদী নিজেদের পছন্দমত কোন পদ না পেয়ে এম , এ, গনির বিরুদ্ধে কথা বলেন। শ্রী অনিল দাশ গুপ্ত যেহেতু কোন কাজ করে না , যেতে ও চায় না , তাই সবার কাছে ভালো থাকেন। কিন্তু যারা ঘনিষ্ঠ ভাবে অনিল দাশ এর সাথে পরিচয় রয়েছে , তারা বুঝতে পারেন তিনি কত ক্রিটিক্যাল। কর্মীদের সাথে দুর্ব্যবহার এর কারণে সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় কর্মীদের তোপের মুখে পড়েন। তিনি অনেকটা বিভিন্ন দেশের মতবিরোধ ও গ্রূপিংকে চাঙ্গা রাখার জন্য উভয় পক্ষে সমান তাল দিয়ে থাকেন।যা অনেকটা প্রমাণিত ও সর্বজনবিদিত।

এম এ গনি না থাকলে ইউরোপের কোন দেশে সম্মেলন হতো না , কেননা অধিষ্ঠিত কমিটির কেউ পদ ছাড়তে আগ্রহী নয়। এম এ গনি তাদের সম্মেলন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। ইউরোপের অনেকদেশে সম্মেলনের উদ্যোগ নিতো কিনা ও সন্দেহ।

এম এ গনি কাজ করেন , অন্যরা বাসায় থেকে কিভাবে কুৎসা রটনা করা যায় তার পরিকল্পনা করে। আসলে লিডারশিপ একটি কোয়ালিটি। কেউ পদে থাকলে লিডার হয় না। লিডারশিপ জন্মগত। যা রয়েছে এম, এ,গনির। সাহসি মানুষরাই এগিয়ে যায়। বিচক্ষণ ও সাহসী নেতাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারে না। এম এ গনি রাজনৈতিক জ্ঞান , শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে অনেকের ঈর্ষার কারণ।তিনি জাতির জনকের দুইকন্যার দেওয়া দায়িত্ত ঈমানদারির সাথে পালন করেন এটাই বড় দোষ। অন্যদের মত ঘরে বসে থাকলে কোন দোষ থাকতো না। এম এ গনি না থাকলে ইউরোপ আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী সৃষ্টির প্রক্রিয়া অচল হয়ে যেত। এম এ গনিই ইউরোপ আওয়ামী লীগ এর প্রাণ ভোমরা।

print

One comment

  1. অজ্ঞাতনামা কেউ একজন

    গনি হলা একটা পাগল। সে খুনী তারেক রহমানের এজেন্ট হয়ে দলের বিরুদ্ধে কাজ করছে । গানকে সকলে বয়কট করুন ।

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: