শুক্রবার , 19 অক্টোবর 2018
ব্রেকিং

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ড আওয়ামীলীগ –

্সুইজারল্যান্ড আওয়ামীলীগ এর সম্মেলন পরবর্তী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সুইজারল্যান্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি সম্পাদক নিম্নে তা তুলে দেয়া হল- প্রেস বিজ্ঞপ্তি

গত ২১শে মে ২০১৭ সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিলরগনের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সুষ্ঠ এই নির্বাচন শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের সদস্যগন উপস্থিত সবার সামনে ভোট গননা শেষে সভাপতি পদে তাজুল ইসলাম এবং সাধারন সম্পাদক পদে শ্যামল খানকে বিজয়ী ঘোষনা করেন। এই রায় ঘোষনার পর নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী সকল প্রার্থীরা নির্বাচনের রায় মেনে নিয়ে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান। সম্মেলন শেষে সুইজারল্যান্ডে উপস্থিত বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়ামের সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বিজয়ীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ভিডিও বার্তা দেন।

কিন্তু কিছুদিন পরেই সুষ্ঠ ও সবার কাছে গ্রহনযোগ্য ওই নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে সভাপতি পদে পরাজিত নজরুল জমাদার এবং সাধারন সম্পাদক পদে পরাজিত কারার কাউসার । ষড়যন্ত্রকারীরা নিজদেরকে আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারন সম্পাদক হিসাবে দাবি করে বিভিন্ন অপতৎপরতা শুরু করে। সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ বিভক্তি ও ধংস করার এই ষড়যন্ত্রে সরাসরি ইন্ধন জোগায় সুইজারল্যান্ড জাতীয়তাবাদী দল, ফ্রিডম পার্টি এবং বিলুপ্ত বাম ঘরানার রাজনৈতিক দলের কিছু কুচক্রী । দু:খজনক ব্যাপার হচ্ছে পুরো ঘটনায় তাদের অভিভাবকের ভূমিকা নেন ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের জনাব শামীম হক। এখানে উল্লেখ করা জরুরী যে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী অনীল দাশ গুপ্ত এবং সাধারন সম্পাদক জনাব এম এ গনির অনুমোদন নিয়ে আমরা সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটি ঘোষনা করি ।অনুমোদিত কমিটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ও জননেত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা উপেক্ষা করে ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থে শামীম হক জমাদার নজরুল ও বহিস্কৃত কারার কাউসারকে সাথে নিয়ে সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগে বিভক্তি ও কোন্দল সৃষ্টি করে যাচ্ছে ।

প্রসঙ্গত নারী নির্যাতন এবং সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে কারার কাউসারকে বহিস্কার করেছেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ ।

সর্বশেষ গত ১৭ ডিসেম্বর জুরিখে বিজয় দিবস পালনের নামে নিজেদেরকে সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কমিটি হিসাবে পরিচয় দেয় নজরুল জমাদার ও কারার কাউসার গং । এসময় তাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ বিভক্তিকারী শামীম হক এবং তিনি জানান ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী অনীল দাশ গুপ্ত তাকে এই ক্ষমতা দিয়েছেন। শ্রী অনীল দাশ গুপ্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি শামীম হককে মিথ্যাবাদী বলে অভিহীত করে এজন্য তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বলেন একমাত্র বঙ্গবন্ধুর কন্যা ছাড়া আর কেও তাজুল-শ্যামলের কমিটির বাইরে কিছু করতে পারবে না ।

আমরা এই বিষযে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের দৃষ্টি আকর্ষন করে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে এর সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ রক্ষা করার আকুল আবেদন জানাচ্ছি। উপরে বর্ণিত ঘটনাক্রম তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি ও মাননীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি । কজন ষড়যন্ত্রকারী এত বড় একটি সংগঠনকে বিপন্ন করে তোলার যে অভিসন্ধি করছে তা অতি দ্রুত শক্তহাতে প্রতিহত করতে হবে ।

তাজুল ইসলাম শ্যামল খান

সভাপতি। সাধারন সম্পাদক

print

One comment

  1. অজ্ঞাতনামা কেউ একজন

    তাজুল ইসলাম খুনী মোসতাকের বংশধর ।শেমল খান সুযোগ সন্ধানী। এই সমস্ত ভৃয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে লাভ নেই। সুইজারল্যান্ড এর 85 ভাগ নেতা কর্মী তোমাদের বিরুদ্ধে। কারার কাওসার মুজিব সৈনিক। তোদের মতো রাজাকার না । তাজুল মুক্তিযোদ্ধা জাল সনদ নিয়েছে । সে ছিলো রাজাকার। শামিম হক দলের পরীক্ষিত জনপ্রিয় নেতা । এটা জামায়াতের পত্রিকা।

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: