শুক্রবার , 27 এপ্রিল 2018
ব্রেকিং

সময়ের সাহসী সৈনিক আরিফুর রহমান দোলন

নিউজ ডেস্ক :সময়ের সাহসী সৈনিক ঢাকাটাইমস২৪ ডটকম ও এই সময়ের সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন তার ফেসবুকে একটি লেখা শেয়ার করেছেন। লেখাটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো “বিচিত্রা খ্যাত ক্যারিশম্যাটিক ও সৃষ্টিশীল সম্পাদক শাহাদত চৌধুরীর পরম স্নেহ আর ভালোবাসা পেয়েছি। জনকন্ঠ যখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে তখন সুযোগ পেয়েও সেখানে যোগ না দিয়ে প্রায় সদ্য প্রকাশিত প্রথম আলোতে গিয়েছি। আমি চ্যালেঞ্জ নিতে জানি।

জনপ্রিয় ও সবভাবে প্রতিষ্ঠিত জনকন্ঠে আমার মতো জুনিয়র কাজের সুযোগ কতখানি পাবে এনিয়ে নিজের মধ্যে নানা প্রশ্ন ছিল। যদিও নিউ ইস্কাটনের বিশাল অট্টালিকা গনমাধ্যমে কাজ করতে আসা যে কোনো নবীনকে সহজেই টানবে। জনকন্ঠে যোগদানের পক্ষেই কথা বলবে। আমি ওই পথে পা বাড়াইনি নতুন কাগজে কাজ করার চ্যালেঞ্জ নেবো বলে। আবার প্রথম আলো ছেড়ে যখন বাংলাদেশ প্রতিদিনে যাই তখন সুহৃদ প্রায় সকলেই রীতিমতো আকাশ থেকে মাটিতে পড়েন।প্রথম আলোর কর্পোরেট টাইপ অফিসের তুলনায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের মগবাজারের অফিসটি ছিল একেবারেই ম্যাড়ম্যাড়ে। দিনেদুপুরেও মশার উপদ্রুব। শাজাহান সরদার তখন সম্পাদক। নঈম নিজাম ব্যবস্থাপনা সম্পাদক। আমি উপ-সম্পাদক। সম্পাদক তো সম্পাদকই। নঈম ভাই আর আমি যে কি সীমাহীন পরিশ্রমটাই না করেছি। চ্যালেঞ্জ একটাই। এক নম্বর পত্রিকা হতে হবে বাংলাদেশ প্রতিদিন। হলোও।

আবার চ্যালেঞ্জ নিলাম। বসুন্ধরা গ্রুপের মালিক পক্ষের অফুরান ভালোবাসা পেয়েছি, পাচ্ছি এখনো। কিন্তু যখন মনে হয়েছে ছাড়তে হবে, ছেড়েছি। এমনকী প্রদত্যাগপত্র বসুন্ধরা গ্রুপের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পরম ভালবাসা প্রদর্শনে ছিড়ে ফেলার পরেও। সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে। সম্পাদক নঈম নিজামের সাথে ভাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়েছে। স্বল্প সময়ের জন্যে বাংলাভিশন টেলিভিশনে বার্তা সম্পাদক ছিলাম। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে ইউনিক গ্রুপ, পিএইচপি আর আমান গ্রুপ মালিকানাধীন আমাদের সময়ের উপসম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে কাজ করলাম। মন নতুন কিছু করার কথা ভাবছিল। নতুন চ্যালেঞ্জ ঢাকা টাইমস, এই সময় এবং অবশ্যই উদ্যোক্তা। হাঁটি হাঁটি পা পা করেই এগিয়েছি, এগোচ্ছি। একবারে দৌড় হয়না। জানি, মানি।

পারিবারিকভাবে সমাজকর্মের ইতিহাস। যখন যেখানে থেকেছি চেষ্টা করেছি নিজের জন্মস্থানের কল্যাণের। একটু একটু করে ব্যাপ্তি বেড়েছে। পরিচিত, অপরিচিত অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছে। অকুন্ঠ সমর্থন করেছেন। আবার ঘনিষ্ঠজনের কেউ কেউও খানিকটা এবং ক্ষেত্র বিশেষ অনেকটা ঈর্ষান্বিত হযেছেন উল্টো। বিনা কারণে নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো নিন্দা মন্দ করতে কার্পন্য করেননি, করছেন না।

দমে যাওয়ার পাত্র আমি নই। সমাজকর্মের ব্যাপ্তি বাড়াতে, দীর্ঘায়িত করতেই প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা। মানুষের, সমাজের, দেশের কল্যাণই তো রাজনীতি। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কলম ধরেছি, কথা বলেছি সব সময়। আর এখন রাজনীতির ময়দানে সেই চর্চা করছি আওয়ামী লীগের পতাকাতলে। রাজনীতি তো মানুষের জন্যেই নিরন্তর কাজ করে যাওয়া। । ঈর্ষাকাতরদের প্রতি অনুরোধ কাজ করে দেখান অথবা গঠনমুলক সমালোচনা করুন।

আমার লক্ষ্য মানুষের জন্যে কাজ করা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ায় সারথী হওয়া-ভালো মানুষ হওয়া। মনে করি না এমপি হতেই হবে। কর্মই বলে দেবে সব।

এমপি হলেও আছি, না হলেও আছি। চ্যালেঞ্জ নিতে জানি।”

print

মন্তব্য করুন