শুক্রবার , 25 মে 2018
ব্রেকিং

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের মিলন মেলা

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে:

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আলোচনা ও কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে বিদেশিদের মিলন মেলা বসেছিল মালয়েশিয়ায়।

স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে কুয়ালালামপুর রেনিসনস হোটেলের বলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও ৭০টি দেশের রাষ্ট্রদূতরা অংশগ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রদূত মহ. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া সরকারের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উপমন্ত্রী ওয়াই বি দাতুকে হাজী আহমদ বিন হাজী মাসলান।

অনুষ্ঠানে কথায় কথায় উঠে আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস। উপস্থিত বাংলাদেশি এবং বিদেশি অতিথিরাও আরও একবার জানলেন সেই ইতিহাস।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।  এ সময় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত বীর শহীদদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

রাষ্ট্রদূত মহ. শহীদুল ইসলাম অতিথিদের সামনে স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরেন ভিবিন্ন দেশের কূটনৈতিকদের সামনে । তিনি বলেন, জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশ হবে সুখ ও সমৃদ্ধির। নতুন স্বদেশ গড়ার পথে নতুন প্রজন্মের মূল শক্তি থাকবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

নৈশভোজে ৭০ টি দেশের কূটনৈতিক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মালয়েশিয়ার এমআইসির সাবেক  সভাপতি ডাতুকে সেরী এস সামি ভেলু,দূতাবাসের ডিফেন্স উইং প্রধান এয়ার কমডোর হুমায়ূন কবির, শ্রম কাউন্সিলর মো. সায়েদুল ইসলাম, দূতালয় প্রধান ওয়াহিদা আহমেদ, মিনিস্টার রইছ হাসান সারোয়ার, ফাস্ট সেক্রেটারি মাসুদ হোসাইন, প্রথম সচিব শ্রম মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, কমার্শিয়াল উইং রাজিবুল আহসান,পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রথম সচিব মো. মশিউর রহমান তালুকদার, ফার্স্ট সেক্রেটারি তাহমিনা ইয়াস মিন, শ্রম শাখার ২য় সচিব মো. ফরিদ আহমদ সহ প্রবাসী কমিউনিটি, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন এবং বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব অব মালয়েশিয়ার নেতৃবৃন্দসহ বাংলাদেশ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তার উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল অনুষ্ঠানটি।

এর আগে মালয়েশিয়া স্থানীয় সময় সকাল ১০টা এবং বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় প্রবাসীরাও একযোগে গাইলেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। সুরে সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে দূতাবাস প্রাঙ্গণ।

শুদ্ধভাবে জাতীয় সঙ্গীত চর্চাকে অনুপ্রাণিত করতে দূতাবাস এ উদ্যোগ গ্রহণ করে। আর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশপ্রেমী প্রবাসীরা।

সকালে পতাকা উওোলন শেষে বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।

print

মন্তব্য করুন