শনিবার , 20 অক্টোবর 2018
ব্রেকিং

অভিজিতের পাশেই দাঁড়িয়ে পুলিশ ! হত্যা কান্ডের উ-টার্ন ,এক ঢিলে কয়েক পাখি মারার মতো ঘটনা

ব্লগার অভিজিৎ হত্যাকান্ডের পর জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বলা হচ্ছে, বইমেলা , অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে এর নিরাপত্তা ঘেরা । চারিদিকে র‍্যাব , পুলিশ ও বিজিবির আনাগোনা । সাথে আছে সিভিল পোষাকে গোয়েন্দা কর্মকর্তা ।
শাহাবাগ থেকে প্রথম চেকিং শুরু , দ্বিতীয় চেকিং হয় টি এস সির মোরে , তৃতীয় চেকিং বইমেলার গেইটে ।
অন্যদিকে জাতীয় ঈদগাহের সামনে প্রথম চেকিং , দ্বিতীয়টা দোয়েল চত্তরের মোরে তৃতীয় চেকিং বইমেলার গেইটে । এই রাস্তা গুলাতে প্রতি ২ হাত অন্তর অন্তর প্রায় ১০-১২ জন করে পুলিশ , র‍্যাব ও বিজিবির সদস্য মোতায়েন করা । সাধারনত হাতে বেগ থাকলেই সেই ব্যাগ চেকিং হয় মিনিমাম দুই জায়গায় । আর সাথে অস্ত্র নেওয়া তো দুরের কথা ।
এরকম নিরাপত্তা সম্ভবত প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাসভবন এর নিরাপত্তার চেয়েও বেশী । এরকম একটা নিরাপত্তাবহুল জায়গায় দুজন নর নারীকে ৫ মিনিট সময় ধরে কুপিয়ে একজন হত্যা ও আরেকজন কে জখম করে চলে গেলো কিন্তু পুলিশ টের ই পেলনা ? টি এস সি থেকে খুন করে খুনি নিশ্চয়ই তিন জায়গা ছাড়া অন্য কোন জায়গা দিয়ে পালাতে পারবেনা । একদিকে কলাভবনের দিকের রাস্তা তাও পুলিশ বেষ্টনী , অন্যদিকে শাহাবাগের রাস্তা তাও পুলিশের করা নিরাপত্তা , অন্যদিকে দোয়েল চত্তরের দিকের রাস্তা । আর রমনা তে ঢুকার প্রশ্নই আসেনা । তবে এতো নিরাপত্তার মাঝে দিয়ে খুনি পালালো কিভাবে ?
অনেকেই বলছেন, তবে কি ধরে নিতে হবে যারা নিরাপত্তার কাজে জড়িত এবং যাদের আদেশে নিরাপত্তা কর্মীরা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত তারাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে ? অথবা তাদের মধ্যেই লুকিয়ে থাকা সরকারের গুপ্তচরেরা এই কাজ ঘটিয়েছে নিরাপত্তা কর্মীদের নিরাপত্তার মাধ্যমে ?
অন্যযুক্তিও দেয়া হচ্ছে। বর্তমান কোন ইস্যুকে ধামাচাপা দিতে নতুন কোন ইস্যু সরকারের দরকার । এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জয়শঙ্কর ঢাকায় আসছেন। এই সময়ে হয়তো একটা সংখ্যালঘুর লাশ ফেলা খুব জরুরী ছিল, বাংলাদেশকে জঙ্গি হিসেবে তুলে ধরতে ।এক ঢিলে কয়েক পাখি মারার মতো ঘটনা ।

print

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.