মঙ্গলবার , 23 এপ্রিল 2019
ব্রেকিং

৫০তম জন্মদিনে বিশ্বব্যাপী ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত তারেক রহমানঃ তোমার প্রত্যাশায় বাংলাদেশ

TR_Home

About The Author

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ

অমিত সম্ভাবনার এক বাংলাদেশ। ডিপ্লোম্যাট যাকে আজকে (১৬ নভেম্বর) বলছে এশিয়ার এনার্জির নতুন এক সুপার পাওয়ার আমাদের এই বাংলাদেশ। আজ বাংলাদেশের চতুর্দিকে এক হতাশা, ঘরে ঘরে ক্রন্দন, ভয় আর শঙ্কা। কখন কে যে গুম হয়ে যায়, কোন মায়ের কোল কখন খালি হয়ে যায়। সরকারের সমালোচনা, লুট-পাট আর গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার পক্ষে কথা বললেই সে হয়ে যায় রাজাকার। এই যে এক দুঃসহ অবস্থা, তা থেকে মানুষ মুক্তির পথ খুঁজছে। মানুষের ভেতরের কান্না আজ বাতাসে ঘুর পাক খাচ্ছে। দুমরে মুচড়ে শুধু হ্রদয়ের অতলান্ত প্রদেশ থেকে ছিঁড়ে যাচ্ছে, প্রতিবাদের ভাষা যেন আজ হারিয়ে ফেলেছে ৭১ এর যুদ্ধজয়ী আর ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বজয়ী বাঙালি জাতি। বাংলাদেশের তরুণ যুবা বৃদ্ধ আবাল বণিতা আজ খুঁজছে তাদের নেতাকে, যে তাদের কথা বলবে, তাদের হয়ে আন্দোলনের অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে ছার খার করে দিবে সকল অপশাসন আর দুঃশাসনের যাঁতাকল থেকে তাদের মুক্ত করবে।মানুষ চায় তার জান মাল ও ইজ্জতের হেফাজত ও নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিবে এই বাংলাদেশ, যে গ্যারান্টির ভিত রচনা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

একজন কবি হলে হয়তো বলতে পারেন আমি যদি আকাশ ছুঁতে পারতাম, তবে তোমাকেই খুঁজে নিতাম হে কর্মবীর তারেক রহমান। দার্শনিক কিংবা রাজনৈতিক নেতা হলে বলতে পারতাম, বাধ-ভাঙ্গা জন-জোয়ারে তোমায় বরণ করে নেবো হে তৃণমূলের দর্শনের রূপকার প্রিয় তারেক রহমান। ৫০টি বছরের এই জীবনে সব চাইতে কঠিন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি তুমি- তোমাকে সেজন্যে সইতে হয়েছে তথাকথিত ১/১১ সরকারের নির্মম নিপীড়ন আর নির্যাতন। জনগণের কথা ভাবতে গিয়ে, প্রিয় তৃণমূলের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে জন-জোয়ার তুলেছিলে বলেই স্বৈরাচারের দোসর আর তাবেদার গোষ্ঠীর রোষানলে পড়ে তোমাকে প্রিয় দেশের জনগণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখার সকল রাজনৈতিক ট্র্যাম কার্ড ব্যবহার করা হচ্ছে। তারপরেও তুমি রাজনীতির অঙ্গনে গুণগত পরিবর্তন আর নতুন এক স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের এভারেস্টের মতো কর্মে অটল আর সিদ্ধান্তে অবিচল। শত লাঞ্ছনা, হাজারো ষড়যন্ত্র আর পাহাড় সমান সমালোচনা তোমাকে করে তুলেছে বিরোধীদের কাছে এ যুগের চে গুয়েভারা আর মাওসেতুং এর মতো রাজনৈতিক স্বপ্ন আর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আরো দৃঢ় ও ব্যতিক্রম ধর্মী এক তরুণ নেতা হিসেবে।

ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ আর প্রতিনিয়ত শঙ্কা ও গণতন্ত্র, বাক, ব্যক্তি-স্বাধীনতাহীন এই বাংলাদেশের জনগণের কাছে তুমিই আশা ও ভরসার কেন্দ্র বিন্দুতে। তোমাকেইতো তাই পিতার মতো কাঁধে তুলে নিতে হবে সেই গুরু দায়িত্ব, ১৯৭১ সালের বাঙালির প্রাণের অমিত ত্যাগের ও দুর্দমনীয় আবেগের সেই কণ্ঠ, সেই আহবান-“আমি মেজর জিয়া বলছি”র ন্যায় বলতে হবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আর সুন্দরের সকলের সহাবস্থানের সাম্য, সৌহার্দ্র্য আর ভ্রাতৃত্বের নিদর্শনের পূণচালু করতে তোমাকে আসতে হবে ক্ষুদিরাম, সূর্যসেন, প্রীতিলতা, সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শাহজালাল, শাহপরাণের এই বাংলাদেশে। তোমাকে বলতেই হবে, আমি তারেক জিয়া ফিরে এসেছি তোমাদের ভালোবাসায়, তোমাদের গণতন্ত্র- তোমাদের হাতে ফিরিয়ে দেবো বলে।

তোমার অপরিহার্যতা বেশীমাত্রায় বলেই খ্যাতনামা ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড নিকোলসনও বিনয়ের সাথে লিখেন- “Tarique Rahman has set his sights on Bangladesh forming much stronger diplomatic, political and economic links with important international allies, both regional and across continents, through persuading them that Bangladesh is on a course towards full democracy and the rule of law, of independent institutions unfettered by influence from the government, of consultation between government and local communities and of high standards of Governance across the country”. কায়েমী স্বার্থবাদী আর গুণেধরা পুরনোদের সেজন্যে তোমাকে তাই এতো ভয়, তোমাকে নিয়েই সেকারণে তাদের ষড়যন্ত্রের ডালপালা বিস্তার লাভ করে চলে অতি সঙ্গোপনে। কারণ তুমি তাদের স্বার্থের বিপরীতে জনকল্যাণে নিবেদিত নতুন এক স্বপ্নের রূপকার- যা তাদের মাথাব্যাথার কারণ।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তোমার ভক্ত অনুসারীই প্রমাণ করে বাংলাদেশের আগামীর রাজনীতির জন্য তোমার অপরিহার্যতা। সেজন্যেইতো সারা বিশ্বের হাজারো জাতীয়তাবাদী নেতা-কর্মী যারা নানা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন, তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় সিক্ত আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা আর নেতা তারেক রহমান।

তারেক রহমানের জন্ম দিন উপলক্ষে কথা হয় লন্ডন রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রেসিডেন্ট প্রবীণ সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসনের সাথে। নজরুল বলেন, দোষ-গুনের সমন্বয়েই মানুষ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সেটা আরো বেশী সত্য। বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। এখানকার কৃষি জমি, ফসলী জমি, আর কৃষিতে আধুনিক চাষাবাদ আর আধুনিক বাজার অর্থনীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে এদেশের কৃষি জমি ও কৃষিকাজের নিয়োজিত লক্ষকোটি প্রাণের হাতকে কর্মে রূপান্তরের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত বীজ ও সার সহ উন্নত পরিকল্পপণার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী এক স্বপ্ন শুধু নয়, বাস্তবে রূপান্তরের পরিকল্পণা তারেক রহমান জাতির সম্মুখে হাজির করেছেন। একজন রাজনৈতিক নেতাকে বিচার করতে হবে তার সেই সব কাজের পরিকল্পনার মাধ্যমে। কৃষিকে টার্গেট করে দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাওয়ার কথা আমরা কেবল তারেক রহমানের কাছ থেকে জানতে পারি। সাথে অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রযুক্তির সমন্বয় ও পরিকল্পণাতো আছেই। তার জন্মদিনে সেই সব কাজ নিয়ে উনি আমাদের দেশের জনগণের কল্যাণে নেতৃত্বের পাদপ্রদীপে এগিয়ে আসুন, সকল অন্যায় অবিচারের বেড়াজাল ডিঙ্গিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে তিনি এগিয়ে নিয়ে চলুন- শুভেচ্ছার সাথে এই আমাদের কামনা।

তারেক রহমানের ৫০তম জন্মদিনে শুভেচ্ছার ডালি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যিনি বেশী সোচ্চার, মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব বিএনপির সভাপতি আহমদ আলী মুকিব। আজকের জন্মদিনে প্রিয় নেতাকে শুভেচ্ছা জানানোর সাথে সাথে আহমদ আলী মুকিব, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

৫০তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর সাথে সাথে তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও এই নেতার পেছনে একত্রিত হয়ে চলমান গণতন্ত্রের আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী ও বেগবান করার শপথে বলীয়ান হয়ে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন সৌদি আরব বিএনপির সভাপতি আহমদ আলী মুকিব, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শাইস্তা চৌধুরী কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, সিটিজেন মুভমেন্টের নেতা এম এ মালেক, ইউকে বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক নেতা নাসিম হোসাইন চৌধুরী, যুবদলের আহ্বায়ক দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, ইউকে স্বেচ্ছাসেবক দলের শাহীন আহমেদ, শিকাগো জিয়াউর রহমান ওয়ের প্রস্তাবক শাহ মোজাম্মিল হক নান্টু, বেলজিয়াম বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সাজা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন বাবু, দফতর সম্পাদক আলম হোসেন, জার্মান বিএনপি সভাপতি আকলু মিয়া, সুইডেন বিএনপি সভাপতি এমদাদ হোসেন কচি, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আবেদিন মোহন, অষ্ট্রিয়া বিএনপি সভাপতি নেয়ামূল বশির, নরওয়ে বিএনপি সভাপতি বাদল ভূইয়া, ফ্রান্স বিএনপি সভাপতি সৈয়দ সাইফুর রহমান, স্পেন বিএনপি সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ূম পংকী, আয়ারল্যান্ড বিএনপি সভাপতি হামিদুল নাসির, সাধারণ সম্পাদক কবির আহমদ, কানাডা বিএনপি সভাপতি ফয়সল চৌধুরী, রাশিয়া বিএনপি সভাপতি শাহ জকি উদ্দিন, পোল্যান্ড বিএনপি সভাপতি গোলাম সারওয়ার, হল্যান্ড বিএনপি সভাপতি শরীফ উদ্দিন, ডেনমার্ক বিএনপি সভাপতি গাজী মনির, কুয়েতের সিলেট জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি ফয়সল আহমদ, কাতারের যুবদলের সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাজু মিয়া সহ অসংখ্য অগণিত নেতা কর্মী তাদের প্রিয় নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সম্মানিত প্রতিনিধিবৃন্দ সহ ব্রিটেন, আমেরিকা, ভারত, সিঙ্গাপুর, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, চেক রিপাবলিক, ইরান, ইরাক, মিশর, সৌদি আরব, মস্কো, ফ্রান্স, ইটালি, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা সহ বিশ্বব্যাপী নেতৃবৃন্দ ও ডেমোক্র্যাট, সিনেটরবৃন্দ, সাংসদ- অনেকেই তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে আগামীতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারের প্রতিনিধিত্ব করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, একই সাথে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থাগুলো এখন বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন ও ক্রমেই তাদের শঙ্কা গণমাধ্যমে প্রকাশ্যেই আসছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সাথে বহির্বিশ্ব বিএনপি ও আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের সাথে আমরাও ঐকান্তিকভাবে তারেক রহমানের স্বদেশ ফেরার প্রত্যাশায়- যার আগমনে বাংলাদেশ থাকবেনা কোন হিংসা, বিদ্বেষ, খুনোখুনি, রক্তারক্তি, শিক্ষাঙ্গনে অকালে আর ঝরবে না কোনো তাজা প্রাণ, বিশ্ববিদ্যালয় হবে জ্ঞানার্জনের প্রকৃত ক্ষেত্র, প্রশাসন হবে দলীয় প্রভাবমুক্ত জনগণের সেবায় উন্মুক্ত, মানুষের জান, মাল আর ইজ্জতের হবে রাষ্ট্রীয়ভাবে সুনিশ্চিত গ্যারান্টির রক্ষা কচব, আর বাক-ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও মানবতা হবে সমুন্নত। বাংলাদেশের লক্ষকোটি জনতার প্রাণের চাওয়া, প্রাণের দাবী-তোমার প্রত্যাশায় পথ পানে চেয়ে আছে বাংলাদেশ, তুমি কি শুনছো? সেই ডাক হে কর্মবীর প্রিয় তারেক রহমান !

print

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.