Friday , 4 December 2020
Breaking

বাংলাদেশী-আমেরিকান বিজয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন

us-election-bangladeshi-winners-2020

বাংলাদেশী-আমেরিকান বিজয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন

মন্ট্রিয়েল থেকে মাসুদুল হাসান রনি:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে এবার চার বাংলাদেশি মার্কিন নাগরিক অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য ও ফলাফলে দুজন বিজয়ী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য জর্জিয়া স্টেট সিনেটর হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন কিশোরগঞ্জের সন্তান শেখ মোজাহিদুর রহমান চন্দন। আর সর্বোচ্চ ভোটে নিউ হ্যাম্পশায়ার স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে চতুর্থ মেয়াদের জন্য বিজয়ী হয়েছেন পিরোজপুরের সন্তান আবুল বি খান।

মার্কিন রাজনীতিতে নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্য বরাবরই রিপাবলিকান পার্টির দখলে। বাংলাদেশি আমেরিকান আবুল খান টানা চর্তুথবার নির্বাচিত হলেন এখানকার স্টেট হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ।
আবুল বি খানের জন্ম বাংলাদেশের পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায়। ১৯৮১ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেন। তার স্ত্রী মর্জিয়া খান একজন গৃহিণী এবং এই দম্পতির এক কন্যা ও এক পুত্র। অভিনন্দন আবুল বি খান।

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটর হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর গ্রামের সন্তান শেখ মোজাহিদুর রহমান চন্দন। ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

উল্লেখ গত ৯ জুন অনুষ্ঠিত দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে কেউ নির্বাচনে অংশ নেননি। একই সঙ্গে সিনেট ডিস্টিক্ট্র আসন-৫-এ কোনো রিপাবলিকান প্রার্থীও ছিল না। ফলে শেখ মোজাহিদুর রহমান চন্দন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হলেন। অভিনন্দন চন্দনভাই।

পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের অডিটর জেনারেল পদে লড়ছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বাংলাদেশি নীনা আহমেদ। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে তিনি একজন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন।
নিনা ও তাঁর স্বামী আহসান তাদের দুইকন্যা জোয়া ও প্রিয়াকে নিয়ে ৩০ বছরের বেশি সময় ফিলাডেলফিয়ায় বসবাস করছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যায় নীনা আহমেদ রিপাবলিকান প্রার্থীর চেয়ে বেশ এগিয়ে আছেন।

টেক্সাস থেকে একমাত্র বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ডেমোক্র্যাটিক দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ডোনা ইমাম।
লাল দুর্গ বা রিপাবলিকানদের ঘাঁটি বলে পরিচিত টেক্সাসে এবার রীতিমতো কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন। ১৯৭৬ সালে জিমি কার্টারের পর আর কোনো ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী এখানে জয় পাননি। এবারের লড়াইয়ে জো বাইডেনের সঙ্গী হয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডোনা ইমাম। লড়াই করে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন।

টেক্সাসে জন্মগ্রহণকারী ও ইলেক্ট্রিক্যাল এবং কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী ডোনা নিজেই একটি ফার্ম দিয়েছেন। সেখানে কাজের পাশাপাশি মার্কিন রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন।
ডোনা ইমামের আগামীর সাফল্যর জন্য শুভকামনা ।

উল্লেখ্য, মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান হিসেবে মিশিগানের একটি আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন হেনসেন ক্লার্ক। তিনি দু’বছরের এক মেয়াদের বেশি টিকতে পারেননি।

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.